দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)-এর নতুন দাম আজ (বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল) ঘোষণা করা হবে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বিকেলে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে পারে বলে জানা গেছে।
এর আগে সর্বশেষ গত ২ মার্চ এলপিজির দাম সমন্বয় করেছিল বিইআরসি। প্রতি মাসের মতো এবারও আন্তর্জাতিক বাজারদরের সঙ্গে সমন্বয় রেখে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে গ্যাসের দামের ওঠানামার ওপরই মূলত দেশের এলপিজির মূল্য নির্ভর করে। বৈশ্বিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে জ্বালানি সংকট এবং সরবরাহ ব্যবস্থার পরিবর্তনের কারণে দাম বাড়া বা কমার সম্ভাবনা থাকে।
👉আরো পড়ুন:-জ্বালানি ফুরানোর ঝুঁকিতে বাংলাদেশ! আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে উদ্বেগ
বর্তমানে দেশের বিপুল সংখ্যক পরিবার রান্নার কাজে এলপিজির ওপর নির্ভরশীল। বিশেষ করে শহরাঞ্চলে পাইপলাইনের গ্যাস সুবিধা না থাকায় এলপিজিই প্রধান জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ফলে এলপিজির দামের পরিবর্তন সরাসরি সাধারণ মানুষের জীবনে প্রভাব ফেলে।
বিশ্লেষকদের মতে, এলপিজির দাম বাড়লে নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয়ের চাপ আরও বেড়ে যায়। অন্যদিকে দাম কমলে কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে ভোক্তাদের মাঝে। তাই নতুন দাম ঘোষণার দিকে সবার দৃষ্টি রয়েছে।
এদিকে, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে চলমান অস্থিরতা এবং ডলার সংকটের প্রভাবও দেশের জ্বালানি খাতে পড়ছে। ফলে এলপিজির দামে পরিবর্তন আসবে কি না, সে বিষয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে।
বিইআরসি সাধারণত প্রতি মাসে এলপিজির মূল্য নির্ধারণ করে থাকে এবং তা গণমাধ্যমের মাধ্যমে প্রকাশ করে। নতুন দাম ঘোষণার পরই তা সারাদেশে কার্যকর হয়।
উল্লেখ্য, দেশের জ্বালানি খাতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো নিয়মিতভাবে মূল্য সমন্বয় করে আসছে। আজকের ঘোষণার মাধ্যমে এপ্রিল মাসের জন্য এলপিজির নতুন মূল্য নির্ধারণ হবে।






