মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাব মোকাবিলায় একগুচ্ছ ব্যয় সংকোচনমূলক সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আংশিক অনলাইন পাঠদান চালুর পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এ বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন।
আরো পড়ুন:- আপনার মাদ্রাসা কি কোডভুক্ত? নতুন ওয়েবসাইটে মিলছে তালিকা
রোববার (৫ এপ্রিল) সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, জ্বালানি সংকটের চাপ কমাতে এই উদ্যোগ বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটির পর গত ২৯ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলেছে। তবে বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়ায় নতুন করে এই পরিকল্পনা সামনে এসেছে।
এর আগে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে নাসিমুল গনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত বিষয়ে আলাদা নির্দেশনা দেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে আরও আলোচনা প্রয়োজন এবং শিক্ষা কার্যক্রম যেন ব্যাহত না হয়, সে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, সপ্তাহে ছয় দিন ক্লাস চালু রাখা হতে পারে। এর মধ্যে তিন দিন অনলাইন এবং তিন দিন সশরীরে পাঠদান করা হবে। একদিন অনলাইনে ক্লাস হলে পরদিন সশরীরে ক্লাস নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
তবে অনলাইন ক্লাস হলেও শিক্ষকরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থেকেই পাঠদান করবেন। আর ব্যবহারিক ক্লাসগুলো সম্পূর্ণ সশরীরে নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
এদিকে জ্বালানি সাশ্রয়ের অংশ হিসেবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ইলেকট্রিক বাস চালুর সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। সরকার জানিয়েছে, এসব বাস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিনা শুল্কে আমদানি করতে পারবে। তবে বাণিজ্যিকভাবে আমদানির ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ শুল্ক প্রযোজ্য হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানি সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে শিক্ষা ব্যবস্থায় এ ধরনের হাইব্রিড পদ্ধতি চালু হতে পারে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের আলোচনার ওপর।









