বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) আয়োজিত প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবারের পরীক্ষায় মোট ১৪ হাজার ৯৪২ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন, যা মোট অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীর প্রায় ৩১ শতাংশ।
বুধবার (২২ এপ্রিল ২০২৬) রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফল প্রকাশ করা হয় বলে এনটিআরসিএ সূত্রে জানা গেছে।
প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ১৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ৮ম এনটিআরসিএ নিয়োগ (প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান) পরীক্ষার এমসিকিউ পর্বের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। পরীক্ষায় মোট ৫৩ হাজার ৬৯ জন প্রার্থী অনলাইনে আবেদন করেন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ৪৮ হাজার ১৪৬ জন।
পরীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী, অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের মধ্যে ১৪ হাজার ৯৪২ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। উত্তীর্ণদের রোল নম্বর (মেধাক্রম অনুযায়ী নয়) এনটিআরসিএ’র নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
এনটিআরসিএ জানিয়েছে, উত্তীর্ণ প্রার্থীদের টেলিটক থেকে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানানো হবে। পাশাপাশি মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি পরবর্তীতে এনটিআরসিএ’র ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগের এ পরীক্ষাটি দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নেতৃত্বের পদে যোগ্য প্রার্থী নির্বাচন প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই পরীক্ষার মাধ্যমে দক্ষ ও যোগ্য শিক্ষকদের নেতৃত্ব পর্যায়ে নিয়ে আসা সম্ভব হবে, যা শিক্ষার মানোন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
এনটিআরসিএ আরও জানিয়েছে, প্রকাশিত ফলাফল পরবর্তীতে বিধিসম্মত কারণে সংশোধনের অধিকার সংরক্ষণ করে কর্তৃপক্ষ।
আরও পড়ুন ;- কওমি মাদ্রাসা ইস্যুতে শিক্ষামন্ত্রীর বৈঠক, আরবি শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে আলোচনা
এর আগে গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) সারাদেশে একযোগে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষাটি চারটি ধাপে অনুষ্ঠিত হয়—সকাল ৯টা থেকে ১০টা, বেলা ১১টা ৩০ মিনিট থেকে ১২টা ৩০ মিনিট, দুপুর ২টা থেকে ৩টা এবং বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট থেকে ৫টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত।
জানা গেছে, সারা দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোট ১১ হাজার ১৫১টি শূন্যপদের বিপরীতে এই নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিপুলসংখ্যক প্রার্থী অংশগ্রহণ করায় প্রতিযোগিতাও ছিল তীব্র।
শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগের ক্ষেত্রে এই পরীক্ষার মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে যোগ্য নেতৃত্ব তৈরি হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
উত্তীর্ণ প্রার্থীরা এখন মৌখিক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রধান ও সহকারী প্রধানের শূন্যপদ পূরণ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ফল দেখতে ক্লিক করুন এখানে
🧾 তথ্যসূত্র: এনটিআরসিএ বিজ্ঞপ্তি ও দৈনিক শিক্ষাডটকম






