বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিও নীতিমালা ভঙ্গের অভিযোগে রাজশাহী অঞ্চলের ২৯ জন শিক্ষককে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
অভিযোগ রয়েছে, তারা শিক্ষকতার পাশাপাশি বিবাহ নিবন্ধক (কাজি) হিসেবে অন্য একটি লাভজনক পেশায় জড়িত রয়েছেন, যা এমপিও নীতিমালার পরিপন্থী।
সোমবার (২০ এপ্রিল ২০২৬) মাউশি রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর মোহা. আছাদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, “শুধু এই ২৯ জন নয়, রাজশাহী বিভাগের যেসব শিক্ষক অন্য পেশায় যুক্ত রয়েছেন, তাদের সবাইকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। ৩০ এপ্রিলের মধ্যে তাদের জবাব দিতে বলা হয়েছে। জবাব পাওয়ার পর বিষয়টি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে এবং পরবর্তী সিদ্ধান্ত সেখান থেকেই নেওয়া হবে।”
মাউশির শোকজ নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, এমপিও নীতিমালা-২০২৫ অনুযায়ী কোনো শিক্ষক বা কর্মচারী একই সঙ্গে একাধিক চাকরি বা আর্থিকভাবে লাভজনক পদে থাকতে পারবেন না।
নোটিশে আরও বলা হয়, তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের এমপিও বাতিলসহ বিধি অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
আরও পড়ুন;-করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষা ফেরানো হচ্ছে, আতঙ্ক নেই: শিক্ষামন্ত্রী
অভিযুক্তদের আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
জানা গেছে, শোকজপ্রাপ্তদের মধ্যে রাজশাহী জেলার বিভিন্ন উপজেলার ২১ জন, নাটোরের ৪ জন, নওগাঁর ১ জন এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১ জন শিক্ষক রয়েছেন। তারা বিভিন্ন ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক, সহকারী অধ্যাপক, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এবং মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট হিসেবে কর্মরত।
শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা যদি একাধিক পেশায় যুক্ত থাকেন, তাহলে তা শিক্ষার মানের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। এ কারণে নীতিমালার কঠোর প্রয়োগ জরুরি।










