প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী সারা দেশে একযোগে অনুষ্ঠিত হয়ে শেষ হয়েছে চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল ২০২৬) সকাল ১০টায় শুরু হয়ে দুপুর ১টায় এ পরীক্ষা শেষ হয়। দেশের ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এ পরীক্ষায় সারা দেশের ৩০ হাজার ৬৬৬টি স্কুল, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাড়ে ১৮ লাখের বেশি পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।
এদিন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হয়। প্রবেশের সময় শিক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র যাচাইসহ অতিরিক্ত কাগজপত্র বহন করছে কি না তা পরীক্ষা করা হয়। তবে কোথাও কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন;- নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এসএসসি কেন্দ্রে এমপি, ভেতর থেকে ফেসবুক লাইভ
পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে শিক্ষাপ্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সার্বক্ষণিক তৎপর ছিলেন। বিশেষ করে নকল প্রতিরোধ, ডিজিটাল জালিয়াতি ও প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে কঠোর নজরদারি রাখা হয়।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির তথ্য অনুযায়ী, এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন পরীক্ষার্থী ফরম পূরণ করে। এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদরাসা বোর্ডে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি বোর্ডে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।
এবার নিয়মিত পরীক্ষার্থী ছিল ১৪ লাখ ৪৮ হাজার ৫১১ জন এবং অনিয়মিত পরীক্ষার্থী ৪ লাখের বেশি। তাদের মধ্যে এক বিষয়ে উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য ২ লাখ ৬১ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক কামাল উদ্দিন হায়দার বলেন, “শিক্ষক-পরীক্ষার্থীসহ সবাইকে বোর্ডের নীতিমালা মেনে চলতে হবে। সুষ্ঠু পরীক্ষা আয়োজনে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে ছিলাম।”
এর আগে, সোমবার (২০ এপ্রিল) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, পরীক্ষার ফল ৬০ দিনের মধ্যে প্রকাশ করা হবে। তিনি আরও বলেন, “খাতা মূল্যায়নে মানবিক নম্বর দেওয়ার কোনো সুযোগ থাকবে না, উত্তরপত্রের ভিত্তিতেই মূল্যায়ন করা হবে।”








