কওমি শিক্ষার্থীদের ইকুইভ্যালেন্ট ডিগ্রি না থাকায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সিলেট সরকারি মহিলা কলেজে এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “মাদরাসা থেকে ছাত্ররা পাস করে বের হচ্ছেন। ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আজকে আমরা ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দিতে পারছি না। কওমি শিক্ষার্থীদের সেই ইকুইভ্যালেন্ট ডিগ্রি নেই।”
আরও পড়ুন ;-জয়পুরহাটে মাদ্রাসা জাতীয়করণের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি
তিনি আরও বলেন, “দেশে প্রায় ৯ হাজার শিক্ষক পদ খালি থাকা সত্ত্বেও আমরা নিয়োগ দিতে পারছি না।”
মন্ত্রী বলেন, এই সমস্যা হঠাৎ করে সৃষ্টি হয়নি, বরং দীর্ঘদিনের বাস্তবতা থেকে এসেছে। শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষাব্যবস্থায় নৈতিক শিক্ষার ঘাটতি রয়েছে। পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি বাস্তব জীবনে নৈতিকতার চর্চা বাড়ানো প্রয়োজন। এজন্য স্কুল-কলেজে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপের কথা জানান তিনি।
সভায় শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষক সংকট ও শিক্ষার মানোন্নয়ন নিয়ে বিভিন্ন দিক আলোচনা করা হয়।








