বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষার পরিধি আরও বিস্তৃত করতে ১১টি নতুন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদনের প্রক্রিয়া এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এ লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তদারকি সংস্থা বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)-এর কাছে মতামত চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ জানুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি চিঠির মাধ্যমে প্রস্তাবিত কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে ইউজিসির মতামত জানতে চায়। এরই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে অনুমোদনের প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে চলছে।
👉আরো পড়ুন:-মাদ্রাসায় নতুন নিয়ম! ৯টায় উপস্থিতি ও জ্বালানি সাশ্রয়ে নির্দেশনা
অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে রয়েছে—নৌবাহিনী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা; আশ্রয় ইউনিভার্সিটি, রাজশাহী; ইম্পেরিয়াল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, রাজশাহী; এক্সিলেন্স ইউনিভার্সিটি, খুলনা; ইকো ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, ঠাকুরগাঁও এবং ইউনিভার্সিটি অব ইন্টিগ্রেটেড থট, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ।
এছাড়াও আরও কয়েকটি প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয় নিয়েও মতামত চাওয়া হয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে—বেঙ্গল ইউনিভার্সিটি, গাজীপুর; যমুনা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ঢাকা; গ্লোরিয়াস ইউনিভার্সিটি, সাভার; ব্রিটিশ বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি, ঢাকা এবং সৃজনী বিশ্ববিদ্যালয়, ঝিনাইদহ।
শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন পেলে দেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ আরও বৃদ্ধি পাবে। বিশেষ করে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা সহজেই মানসম্মত উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাবে।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদনের ক্ষেত্রে শিক্ষার মান, অবকাঠামো, শিক্ষক নিয়োগ এবং গবেষণার পরিবেশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব বিষয় যথাযথভাবে যাচাই করে অনুমোদন দেওয়া হলে দেশের উচ্চশিক্ষা খাত আরও শক্তিশালী হবে।
সামগ্রিকভাবে, সরকারের এই উদ্যোগকে উচ্চশিক্ষা সম্প্রসারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এখন ইউজিসির মতামতের ভিত্তিতে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হলে দ্রুতই নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রম শুরু হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।








